মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি তিনটি প্রাথমিক ও নয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। শিগগিরই নির্বাচিত ১৪৯টি বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা চালুর কথা জানানো হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, আইসিটি সংশ্লিষ্ট বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি সুবিধা না পৌঁছানো পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সীমাবদ্ধতা ছিল। ই-লার্নিং চালুর ফলে শিক্ষক সংকট আর শিক্ষার মানের বাধা হয়ে থাকবে না; শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞ শিক্ষকদের কাছ থেকেও শেখার সুযোগ পাবে এবং বিশ্বে কী ঘটছে সে সম্পর্কেও সরাসরি ধারণা পাবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ইন্টারনেট অবকাঠামো শুধু শিক্ষায় নয়, স্বাস্থ্যসেবাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। দুর্গম এলাকায় চিকিৎসকের অভাব থাকলেও অনলাইনের মাধ্যমে চিকিৎসা পরামর্শ, দিকনির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া সম্ভব হবে।
পরে কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তারা ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরুকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, এই উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। পর্যায়ক্রমে আরও বিদ্যালয় যুক্ত করে পুরো অঞ্চলকে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।