মৃত মুসল্লির নাম চাঁন মিয়া (৬০)। তিনি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা এবং চাকরির কারণে নারায়ণগঞ্জের রঘুনাথপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, নামাজের সময় হঠাৎ স্ট্রোক হওয়ায় সঙ্গে থাকা মুসল্লিরা তাঁকে দ্রুত ইজতেমা সংলগ্ন হাসপাতালে নেন। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে ভোররাতেও একজন মুসল্লি মারা গিয়েছেন।
জোড় ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও বিশ্বের প্রায় ১৭টি দেশের ৪৩৬ বিদেশি অতিথি ময়দানে উপস্থিত আছেন। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইর তথ্যমতে, পাকিস্তান থেকে ৩০৮, ভারত থেকে ৭০, কিরগিজস্তান থেকে ১০, কানাডা থেকে ৯, মিয়ানমার থেকে ৩, ইয়েমেন থেকে ৪, চীন থেকে ১, সৌদি আরব থেকে ৬, তিউনিসিয়া থেকে ১, যুক্তরাজ্য থেকে ৭, ইতালি থেকে ২, নাইজার থেকে ১, আফগানিস্তান থেকে ৬, আমেরিকা থেকে ১, জার্মানি থেকে ১ এবং জাপান থেকে ১ মুসল্লি ময়দানে অবস্থান নিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সেবা সংস্থা মুসল্লিদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাবলিগ জামাতের স্বেচ্ছাসেবক এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ময়দানে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।