তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা কোনো অপরাধ নয়। অথচ সেই আকাঙ্ক্ষাকে দমন করতে রাষ্ট্রীয় কাঠামো, আইন কিংবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে গণমাধ্যমকে স্তব্ধ করার চেষ্টা চলছে। এ অবস্থায় সাংবাদিক সমাজের ভেতরে যেমন ঐক্য দরকার, তেমনি বৃহত্তর সামাজিক সংহতিও অপরিহার্য।
নূরুল কবির আরও বলেন, গণমাধ্যম শুধু কয়েক হাজার সাংবাদিকের কণ্ঠ নয়; এগুলো সচল না থাকলে গোটা সমাজের নাগরিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পত্রিকা অফিসে হামলা মানে কোনো ভবনে ক্ষোভ প্রকাশ নয়, বরং সাংবাদিকদের জীবনকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলা। একবিংশ শতাব্দীতে এমন বর্বরতা সভ্যতার জন্য ভয়ংকর ইঙ্গিত বহন করে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আজ দুটি পত্রিকায় হামলা হয়েছে, কাল তা অন্য কোথাও ঘটতে পারে। জুলাইয়ের নামে যারা এসব করছে, তারা আসলে জুলাইয়ের গণতান্ত্রিক চেতনাকেই ধ্বংস করতে চায়। তাই এই সময় ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
সম্মিলনে ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী সরকারই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়।এদিকে প্রথম আলোর সম্পাদক বলেন, বর্তমান সংকট ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ঐক্য ও পারস্পরিক সংহতি এখন সময়ের দাবি।