তিনি জানান, র্যাবে দায়িত্ব পালনকালে যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তারা সামরিক শৃঙ্খলার বাইরে থেকে এসব অপরাধে জড়িত ছিলেন। তাই এই বিচার কোনোভাবেই সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠানগত কাঠামোকে লক্ষ্য করে নয়। আসামিপক্ষ বিচারকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘাত হিসেবে দেখাতে চাইলেও আদালত সেই আবেদন নাকচ করেছেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন সবার জন্য সমান। গুরুতর অভিযোগের কারণে আসামিদের ভার্চ্যুয়াল সুবিধা বা অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই। তারা দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বিবেচিত হবেন, তবে অন্য আসামিদের মতোই নিয়মিত সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
প্রসিকিউশন জানায়, গুম-নির্যাতন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। আসামিপক্ষ অব্যাহতি চেয়েছে। পরবর্তী শুনানি ১৪ ডিসেম্বর।
বুধবার সকালে সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে ১০ গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরা সবাই তখন র্যাবের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে মামলার সাত পলাতক আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক উপদেষ্টা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাবেক আইজিপিসহ র্যাবের কয়েক সাবেক মহাপরিচালক।
আগের নির্দেশনা অনুযায়ী পলাতকদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউ হাজির না হওয়ায় তাদের জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছে আদালত। গত ৮ অক্টোবর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেয়।