জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। হল সংসদের গণনা শেষ হলেও কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা এখনও চলমান। এ বিলম্বে শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
উপাচার্য ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল—জনবল বাড়িয়ে রাতের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। কিন্তু রাত পেরিয়ে সকাল হলেও গণনা শেষ হয়নি। ২১টি হলের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪টির ফল গণনা শেষ হলেও বাকিগুলোর গণনা চলছে।
এদিকে, অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার। তিনি বলেন, “নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি। নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আমাকে পদত্যাগ না করতে চাপ দেওয়া হলেও আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম।”
তবে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের এজিএস প্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যেই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। তার দাবি, “যুদ্ধের ময়দান থেকে তিনি পালিয়ে গেছেন। ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ায় পদত্যাগ করেছেন।”
গত বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ১১ হাজার ৭৪৩ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬৭-৬৮ শতাংশ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে গণনা শুরু হলেও শুক্রবার বিকেলে তা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুনরায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা শুরু হয় এবং অতিরিক্ত পোলিং অফিসার নিয়োগ দিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।