তিনি জানান, ইইউর ২৭টি সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও কানাডার প্রতিনিধিরাও এই মিশনে যুক্ত হয়েছেন। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী সবাই নিরপেক্ষতা, নির্ভুলতা ও পারস্পরিক সম্মানের নীতিমালা মেনে কাজ করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইজাবস বলেন, ঢাকায় অবস্থানরত সমন্বয় দল সার্বক্ষণিকভাবে মাঠের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞ দল দেশের বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন সদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করছে।
দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারাকে তিনি তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও নির্বাচনী ব্যবস্থার অগ্রগতিকে ইইউ গভীর আগ্রহ নিয়ে অনুসরণ করছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ইইউ–বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধ দুই পক্ষকে কাছাকাছি এনেছে উল্লেখ করে তিনি একটি অংশগ্রহণমূলক, বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করেন।
প্রার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সার্বিকভাবে আশাবাদী মনোভাব দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন।
নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের কাজ কেবল প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা; কোনো রাজনৈতিক নির্দেশনা দেওয়া নয়।
নির্বাচন শেষে একটি বিস্তারিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে জানিয়ে আইজাবস বলেন, সেখানে সুপারিশসহ বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।