বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে নির্ধারিত রুটে বাস চলাচল শুরু হবে। তবে প্রতিটি বাসে ন্যূনতম ২০ জন শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়া বাধ্যতামূলক। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অবস্থিত পরিবহন শাখা থেকে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ করতে হবে। আগামী ২৭ জানুয়ারি বিকেল ৩টার মধ্যে ফরম জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মানিকগঞ্জ রুটে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।ক্যাম্পাস থেকে বাথুলি, নয়াডিঙ্গি ও মানিকগঞ্জ পর্যন্ত মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩২০ টাকা। প্রথমবার তিন মাসের অগ্রিমসহ মোট ৩ হাজার ৯৬০ টাকা জমা দিতে হবে। কালামপুর পর্যন্ত যাতায়াতে মাসিক ভাড়া ৮৮০ টাকা এবং ইসলামপুর ও ঢুলিভিটা পর্যন্ত মাসিক ভাড়া রাখা হয়েছে ৪৪০ টাকা।
চন্দ্রা রুটে দুই ধাপে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্যাম্পাস থেকে বাড়ইপাড়া ও চন্দ্রা পর্যন্ত মাসিক ভাড়া ৮৮০ টাকা। আর বাইপাইল, শ্রীপুর, জিরানী ও কবিরপুর পর্যন্ত যাতায়াতে মাসিক ভাড়া ধরা হয়েছে ৪৪০ টাকা। উভয় রুটেই প্রথমবার তিন মাসের অগ্রিম ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রয়োজন হলে রেজিস্ট্রেশনবিহীন শিক্ষার্থীদের জন্য টিকিটের ব্যবস্থাও রাখা হবে। এ ক্ষেত্রে ইউসিবি ব্যাংক গণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় টাকা জমা দিয়ে পরিবহন শাখা থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। ন্যূনতম ১০টি টিকিট নিতে হবে। একক যাত্রায় ক্যাম্পাস থেকে মানিকগঞ্জ রুটে ভাড়া ৩৫ টাকা এবং চন্দ্রা রুটে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাস চলাচলের সময়সূচি অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ ও চন্দ্রা থেকে সকাল ৮টায় বাস ক্যাম্পাসের উদ্দেশে ছাড়বে এবং বিকেল ৪টায় ক্যাম্পাস থেকে যাত্রা করবে। তবে রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে সময়সূচি পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে।
এর আগে পুরোনো হারে ভাড়া দিয়ে যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তাদের জমাকৃত অর্থ নতুন নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতেই ভাড়া পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। পর্যাপ্ত সাড়া পাওয়া গেলে বাস সার্ভিস নিয়মিতভাবে চালু রাখা হবে।