তিনি বলেন, বর্তমানে সংসদের কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তাই সংসদ সদস্যদের বক্তব্য ও আচরণে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার জানান, দায়িত্ব পালনকালে নিরপেক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সরকার ও বিরোধী দলের পারস্পরিক দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কায়সার কামাল বলেন, জাতীয় সংসদ রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান। আইন প্রণয়ন, জবাবদিহি এবং গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা আরও সুসংহত হতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদ দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়েও নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি ১৯৭৫ সালের বাকশাল, পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন, ওয়ান-ইলেভেন, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়েও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।
এছাড়া ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।