প্রথম দিনে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র এবং সহজ বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজারের বেশি। মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখের বেশি এবং কারিগরি বোর্ডে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩৪ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী।
পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং আগে বহুনির্বাচনী, পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশ নেওয়া হবে; মাঝখানে কোনো বিরতি থাকবে না।
উত্তরপত্র পূরণের ক্ষেত্রে ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। প্রতিটি বিষয়ের সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে আলাদাভাবে পাস করা বাধ্যতামূলক।
নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না। পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে, তবে কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবে না।
সব ধরনের পরীক্ষার জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে; এ সংক্রান্ত বিস্তারিত পরে জানানো হবে।