সোমবার (৩ নভেম্বর) তিনি আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিরাপত্তা মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করার সময় এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “দেশের ভবিষ্যৎকে আমরা কেমন অবস্থানে দেখাবো, তা সবসময় আমার চিন্তার বিষয়। এই দায়িত্বকে আমি চাকরি হিসেবে নয়, বরং চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছি। এই পরিস্থিতিতে সাধারণভাবে কাজ করলে চলবে না; আমাদের নতুন দৃষ্টিকোণ ও পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ লাখ মানুষ সরাসরি যুক্ত হবে।”
তিনি আরও জানান, ১৬ নভেম্বর আমরা পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি অ্যাপ উদ্বোধন করব। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে যারা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন, তারা ভোট দিতে পারবেন। ভোটারদের বাড়ির ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পৌঁছে যাবে।
সিইসি সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, “ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে যাদের সঙ্গে সংযুক্ত, তাদেরকে বুঝাতে হবে যে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু দেখলে যাচাই না করে শেয়ার করা যাবে না। এখন এটি মানুষের মধ্যে অভ্যাসে পরিণত হয়েছে; কেউ কিছু দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বাস করে।”
এছাড়া, তিনি জানান, এআই অপব্যবহারের প্রতিরোধে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এই সেলের মাধ্যমে জনগণ যেকোনো ঘটনার সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে পারবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক কন্টেন্ট ছড়ানো যেন না হয়, সেজন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।