ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় নাগরিক বিভিন্ন খাতে কর্মরত থাকার অভিযোগটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে ওঠে। সে সময় প্রত্যাশা ছিল, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু মেয়াদ শেষে এসে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, নিয়ম মেনেই নতুন সরকারের শপথ ও ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পন্ন হবে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী প্রক্রিয়া যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, ঠিক তখন তাঁর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
এর আগে বিভিন্ন আলোচনা ও টকশোতে অভিযোগ ওঠে, সাবেক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রায় ২৬ লাখ ভারতীয় নাগরিক দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাত ও এনজিওতে যুক্ত ছিলেন।
সমালোচকদের দাবি, এতে দেশীয় কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহে প্রভাব পড়েছে। যদিও এ বিষয়ে সরকারিভাবে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ পায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন প্রশ্ন—উত্থাপিত অভিযোগগুলোর কোনো স্পষ্ট নিষ্পত্তি ছাড়াই কি দায়িত্ব শেষ হচ্ছে? বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে আলোচিত এই ইস্যুতে পরিষ্কার অবস্থান জানানো হলে জনমনে থাকা সংশয় কিছুটা হলেও কমবে।
সূত্র: আজকের কন্ঠ