ট্রাইব্যুনালে আলোচিত মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন দাবি করেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেননি, বরং পরিস্থিতির কারণে ভারতে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা আন্দোলন দমনে হেলিকপ্টার বা মারণাস্ত্র ব্যবহারের কোনো নির্দেশ দেননি। বরং জনগণের জানমাল ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তার মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়নি, তাই শেখ হাসিনা ও কামাল দায়ী নন।
তবে প্রসিকিউশন এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে জানায়, মামলার বাইরে গিয়ে এমন দাবি করা অযৌক্তিক। এ সময় সাক্ষী নাহিদ ইসলাম জানান, ৫ আগস্ট সারা দেশে হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল, যা তিনি আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত-সারজিসের কাছ থেকেও নিশ্চিত হয়েছেন।
আজ বেলা ১১টার পর দ্বিতীয় দিনের মতো ট্রাইব্যুনালে নাহিদের জেরা শুরু হয়। দুপুরে জেরা শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, শেখ হাসিনার আইনজীবীর দাবি সত্য নয়। এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি ৪৭তম সাক্ষী হিসেবে দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্য দেন, যা আংশিক শেষ হওয়ায় আজ অবশিষ্ট অংশে জেরা সম্পন্ন হয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন মিজানুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্যরা।