তিনি উদাহরণ হিসেবে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের পারিবারিক ট্র্যাজেডি তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ সময় রাজনীতি করা সত্ত্বেও কর্মীর পাশে না দাঁড়ানো নেতার কারণে সাদ্দামের স্ত্রী ও শিশু সন্তান জীবন হারিয়েছে। “যদি নেতারা বিপদের মুহূর্তে পাশে না থাকে, জনগণ কি এমন নেতা চাইবে?”—প্রশ্ন তোলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, তার রাজনৈতিক পরিচয় যেভাবে হোক না কেন, তিনি কখনোই কোনও কর্মীর ক্ষতি হতে দেবেন না। ভোটের দিনে কেন্দ্রে নজরদারি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তিনি সবাইকে দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নির্বাচন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে থাকবে। তাই প্রশাসন, পুলিশ ও বড় রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সতর্কবার্তা, কোনও প্রার্থী বা তার কর্মীর প্রতি অন্যায় করা যেন নিজের জন্য বিপদ না হয়ে দাঁড়ায়।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাগেরহাটে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুর্বণা স্বর্ণালী ও তাদের ৯ মাসের শিশু নাজিমের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে যশোর কারাগারে সাদ্দামকে সীমিত সময়ের জন্য তাদের মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন।