বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সরওয়ার আলমগীরের পক্ষে বক্তব্য দেন আইনজীবী এডভোকেট রেজাউল করিম রণি। তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রিট শুনানি শেষে সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে দ্রুত প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেয়। সেই আদেশের ভিত্তিতে আইনজীবী প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক দেন, যা সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাসান আলী চৌধুরী বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা আইনসম্মতভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর মতে, একই ধরনের আইনজীবী প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে আগে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও পরে হাইকোর্টের নির্দেশনার ক্ষেত্রে সেটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, যা অসংগত।
আইনজীবীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ড ১৮ জানুয়ারি একদিনেই ভিন্নধর্মী দুই সিদ্ধান্ত দেয়—সকালে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা এবং পরে তা বাতিল। তারা বলেন, চেম্বার জজের স্বাক্ষরিত নির্দেশনা তখন কমিশনে না পৌঁছালেও আইনজীবী প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সরওয়ার আলমগীরকে ঋণখেলাপি প্রমাণের চেষ্টা করা হলেও তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী একাধিক ঋণ রিসিডিউল করেছেন এবং কয়েকটি ঋণ পরিশোধও করেছেন। সংশ্লিষ্ট কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান মামলাও প্রত্যাহার করেছে বলে দাবি করা হয়।
আইনজীবীরা বলেন, হাইকোর্টের আদেশ অনলাইনে প্রকাশিত নথি ও লয়ার সার্টিফিকেট যাচাই করে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে আইনের ব্যত্যয় হয়নি। এ নিয়ে জেলা প্রশাসককে ঘিরে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ একাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।