সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শিশির মনির বলেন, নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গাজী নজরুলকে আগেই জামায়াত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই এখন তার সঙ্গে দলের কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি রাষ্ট্র ও সরকারের।
গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, সে বিষয়েও কথা বলেন শিশির মনির। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জামায়াতের কোনো সিদ্ধান্তের সুযোগ নেই। বিষয়টি জাতীয় সংসদের স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
এ সময় দেশের রাজনৈতিক ও আইনি সংকট নিয়েও কথা বলেন তিনি। ব্যক্তিগত জেদ বা অহমিকা বাদ দিয়ে সংকট সমাধানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান শিশির মনির।
তিনি বলেন, শুধু সাময়িক কোনো সংশোধন করে এই সংকটের সমাধান হবে না। গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের দিকে যেতে হবে।
শিশির মনির বলেন, নির্বাচনী সমঝোতা অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু এতদিন পরও বিষয়টি ঝুলে আছে। নতুন করে মতবিনিময়ের নামে মীমাংসিত জুলাই সনদকে আবার বিতর্কের মধ্যে ফেলা ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মীমাংসিত বিষয়গুলো বাদ দিয়ে নতুন করে অচলাবস্থা তৈরি না করে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে দ্রুত সাংবিধানিক সংস্কারের কাজ শেষ করার প্রত্যাশা জানান শিশির মনির।