শুক্রবার দিবাগত রাত প্রায় দেড়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ অবস্থান স্পষ্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, শুরু থেকেই দল একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং সেই প্রতিশ্রুতি এখনো বহাল আছে। সামগ্রিক ফলাফলকে তারা স্বীকৃতি দিচ্ছেন এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান অব্যাহত রাখবেন।
বার্তায় তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত অসংখ্য কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তার ভাষায়, অনেকেই সময়, শ্রম ও বিশ্বাস দিয়ে কাজ করেছেন; কেউ কেউ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে চাপ ও হয়রানির মুখেও পড়েছেন। তাদের এই ত্যাগ ও সাহস গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও দৃঢ় করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ফলাফল অনেকের মনে কষ্ট বা হতাশা তৈরি করতে পারে, যা স্বাভাবিক। তবে এই প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি। ৭৭টি আসন অর্জনের মাধ্যমে সংসদে দলের উপস্থিতি আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং তারা এখন জাতীয় রাজনীতিতে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে।
তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, রাজনীতিতে উত্থান-পতন স্বাভাবিক বিষয়। অতীতে বিভিন্ন দল কঠিন সময় পার করে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্রের পথ দীর্ঘ এবং ধৈর্যের দাবি রাখে। এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের আস্থা অর্জন, সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের জন্য সংগঠিত প্রস্তুতি নেওয়া।
নিজের বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, তাদের রাজনৈতিক সংগ্রাম কখনোই কেবল একটি নির্বাচনকে ঘিরে ছিল না। লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করা, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। শান্তিপূর্ণ ও নীতিনিষ্ঠ বিরোধী শক্তি হিসেবে সংসদে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।