চাঁদাবাজি নয়, ভাঙারির একটি দোকান নিয়ন্ত্রণ এবং লেনদেন ঘিরে তৈরি হওয়া ব্যবসায়িক বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।
তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে মহিন নামের একজনকে মামলার প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ডিসি জসীম উদ্দিন বলেন, “সিসিটিভির সাহায্যে আমরা আসামিদের শনাক্ত করতে পেরেছি। তারা সকলেই সোহাগের ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। দোকান ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করেই এই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, “এই ঘটনার পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ তদন্তে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা আমলে নেওয়া হবে না।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজধানীর পুরান ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
পুলিশ জানায়, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।