অভিযোগে বাপ্পীর দাবি, ভালুকা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বিলায়েত হোসেন তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেন। একপর্যায়ে বলেন, 'আমার সম্পর্কে সাভার, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জে খোঁজ নিয়ে দেখ, কত মানুষকে জেলে ঢুকিয়েছি। আমার কথা না শুনলে তোকে জেলে ভরে দেব।'
বাপ্পীর অভিযোগ, পরে ওই কর্মকর্তা তাকে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসিক টাকা আদায় এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি এতে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে একটি মাদক মামলায় তাকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরও বলেন, গত ২৩ জুন একটি মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় তাকে সহযোগী আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যদিও ঘটনার সময় তিনি নিজ বাসাতেই ছিলেন। তার দাবি, বাসার সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল কল রেকর্ড (সিডিআর) এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানিয়েছেন বাপ্পী।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই মো. বিলায়েত হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বাপ্পীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তবে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি বাপ্পীর নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ডিআইজির কাছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন।
এসআইর উত্থাপিত হুমকি, সমঝোতার প্রস্তাব এবং মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি এসআই বিলায়েত হোসেন।