বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। পরে বক্তব্য দিতে গিয়ে চিফ হুইপ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সাফল্য ও কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং বলেন, দেশের জন্য এ স্বীকৃতি একটি সম্মানের বিষয়। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সম্মান অর্জন মানেই দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাওয়া।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী মানুষের মাঝে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন বলেও মন্তব্য করেন চিফ হুইপ।
এরপর তিনি একটি কবিতা আবৃত্তি করেন, যদিও কবিতাটির রচয়িতার নাম উল্লেখ করেননি।
সংসদে আবৃত্তি করা কবিতাটি—
‘তিনি আসার আগে দেশটা যেন ভাঁজ করা মানচিত্র ছিল,
নদী ছিল, মানুষ ছিল, স্বপ্নও ছিল
কিন্তু দিগন্ত খুলে দেওয়ার মতো কোনো হাত ছিল না।
তিনি এলেন, বললেন, খুবই কম কথা, সময়ের কপালে লিখে দিলেন একটি উজ্জ্বল উচ্চারণ
বললেন, উই হ্যাভ আ প্ল্যান
তার দৃঢ়তা ছিল পাহাড়ের মতো
কিন্তু হৃদয় শিশিরভেজা ঘাসের মতো
বিশ্বের বড় বড় দরজায় তিনি কড়া নাড়েননি, নিজের আলোয় দাঁড়িয়েছিলেন, দরজাগুলো নিজেই খুলে গেছে
এখন দূরদেশের আকাশেও আমাদের পতাকার রং দেখা যায়, বিদেশি বাতাসেও শোনা যায় এই মাটির নাম
এই দেশের নাম, বাংলাদেশের নাম
নেতৃত্ব মানে শুধু সামনে হাঁটা নয়, নেতৃত্ব মানে অসংখ্য ক্লান্ত মানুষের চোখে স্বপ্ন জাগিয়ে তোলা
আশা জাগিয়ে তোলা।
কবিতা আবৃত্তির পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মন্তব্য করেন, এই স্বীকৃতি শুধু একজন ব্যক্তির নয়, বরং পুরো জাতির অর্জন।
উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকেও এক মন্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন।