বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেই জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী সদস্যদেরও জনগণের সমর্থন নিয়েই নির্বাচনে জয়ী হতে হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশে নতুন করে বিভাজনের রাজনীতি তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। ধর্মকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি সম্মান বজায় রাখা জরুরি। কোনো ধর্মকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ধর্ম যার যার হলেও রাষ্ট্র সবার, এই নীতিতে সবাইকে চলতে হবে।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার যত শক্তিশালী হবে, দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোও তত বেশি দৃঢ় হবে। স্বাধীনতার পর এ বিষয়ে প্রত্যাশা থাকলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। এখন স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
এ সময় আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটি ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়েছে। তাদের শাসনামলে নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে এবং ক্ষমতা ধরে রাখতে বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।