ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বার্সা। নবম মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে দলকে এগিয়ে দেন মার্কাস রাশফোর্ড। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার বাঁকানো শট কোর্তোয়ার নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়। এরপর ১৮ মিনিটে ফেরান তোরেস ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। দানি ওলমোর পাস থেকে ঠান্ডা মাথার ফিনিশে গোল করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
শুরুতেই দুই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় রিয়াল। এরপরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল তারা। গনসালো গার্সিয়া, চুয়ামেনি ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র চেষ্টা করলেও গোলের দেখা পায়নি আনচেলত্তির দল। প্রথমার্ধে আক্রমণ বেশি হলেও শেষ মুহূর্তে কার্যকারিতার অভাব ছিল স্পষ্ট।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে রিয়াল। ৬৩ মিনিটে জুড বেলিংহামের বল জালে গেলেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়। সেটিই ছিল ম্যাচে তাদের সেরা সুযোগ। অন্যদিকে বার্সাও ব্যবধান বাড়ানোর কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল, তবে কোর্তোয়া আরও গোল হতে দেননি।
ম্যাচে উত্তেজনারও কমতি ছিল না। কয়েকবার দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে, বের হয় একাধিক হলুদ কার্ড। তবে পুরো ম্যাচজুড়েই নিয়ন্ত্রণ ছিল বার্সেলোনার হাতেই।
এই জয়ে মৌসুমের তিন ম্যাচ বাকি থাকতেই শিরোপা নিশ্চিত করল বার্সেলোনা। টানা ১০ ম্যাচ জয়ের ধারাও ধরে রাখল ফ্লিকের দল। আর রিয়ালের জন্য চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মাঠে শিরোপা হারানোর এই রাত হয়ে থাকল মৌসুমের সবচেয়ে হতাশার একটি অধ্যায়।