বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কিছু প্রার্থী আচরণবিধি মেনে সীমিত পরিসরে প্রচারণা চালালে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে এবং সতর্ক করা হয়। অথচ অন্যদিকে কোথাও কোথাও বড় সমাবেশ, আলোকসজ্জা, খাবার বিতরণসহ প্রকাশ্য প্রচারণা চললেও তাতে কোনো নজরদারি বা ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
তিনি দাবি করেন, এতে স্পষ্ট হচ্ছে নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নেই এবং অবৈধ অর্থের ব্যবহার হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আজ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সেটিই প্রত্যাশা।
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রার্থীরা এগিয়ে গেলে একটি মহল কেন্দ্র দখল, হামলা বা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা বিভিন্ন সূত্রে শোনা যাচ্ছে। এ জন্য আগেভাগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, এদিন খুলনার ছয়টি আসনে মোট ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। খুলনা-১ এ ১২ জন, খুলনা-২ এ ৩ জন, খুলনা-৩ এ ১০ জন, খুলনা-৪ এ ৪ জন, খুলনা-৫ এ ৪ জন এবং খুলনা-৬ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।