বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাকলিয়া কলেজ থেকে কর্ণফুলী সেতু পর্যন্ত এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
পুলিশ সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে নিরাপত্তার মধ্যে বাকলিয়া থানায় নেওয়া হয়। তবে তাকে ছিনিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে নোবেল হাসান নামে এক সাংবাদিকসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও আহতের খবর পাওয়া গেছে।
অভিযুক্তের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, তিনি একটি ডেকোরেটর দোকানে কাজ করতেন এবং ওই দোকানেই শিশুটির ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাকে থানায় এনে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।