আটকরা হলেন হাজীরপাড়ার নজরুল ইসলামের স্ত্রী ছালেহা বেগম এবং উখিয়ার থাইংখালী ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. হাসিম ওরফে ওসমান। ছালেহা বেগমের স্বামী নজরুল ইসলাম স্থানীয় বিএনপির ইউনিয়ন কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি।
পুলিশ জানায়, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে আসা বড় একটি ইয়াবার চালান ওই বাড়িতে মজুত রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। রামু থানা পুলিশের সহায়তায় ডিবির দল ঘরটি ঘিরে ফেলে। এ সময় কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে দুজনকে আটক করা হয়। পরে ঘরের ভেতর লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, আটক রোহিঙ্গা ব্যক্তি সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ওই বাড়িতে মজুত রাখতেন এবং পরে তা বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এই চোরাচালান কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের একজন জানান, ঘটনার বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত তথ্য তার কাছে নেই। তবে ওই পরিবারের মাদক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে মন্তব্য করেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সীমান্তভিত্তিক মাদক চোরাচালানের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে, যেখানে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।