গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে তোলা হবে না বলে জানিয়েছে বিএনপি। ফলে আগামী ১২ এপ্রিল এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। দলটির মতে, গণভোট শেষ হওয়ায় অধ্যাদেশটির আর প্রয়োজন নেই।
বিশেষ কমিটির আলোচনায় জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে কয়েকটি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। কিছু অপরিবর্তিতভাবে পাস হতে পারে, কিছু সংশোধন করে আনা হবে, আর কিছু সংসদে তোলা হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন না পেলে সেগুলো বাতিল হয়ে যাবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ইঙ্গিত দিয়েছেন, যেসব অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ ব্যবহার নেই, সেগুলো অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। গণভোট আয়োজনের জন্য সাময়িকভাবে এই অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল এবং তা ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।
এ সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি গণভোটসহ অন্তত ১৫টি অধ্যাদেশে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। তাদের দাবি, জনগণের অংশগ্রহণে হওয়া গণভোট বাতিল করা ঠিক হবে না। পাশাপাশি মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত বিষয়েও তারা ভিন্নমত দিয়েছে।
কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জয়নুল আবেদীন। এতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা অংশ নেন। জামায়াতের পক্ষ থেকেও কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়নি, সেগুলো পুনরায় সংসদে আলোচনার জন্য তোলা হবে। আগামী ২ এপ্রিল চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলে অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ পরিষ্কার হবে।