মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস রিসার্চ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘ইনডিজেনাস আইডেন্টিটি ইজ ইরেলেভেন্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান পলাশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের সব অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের নাগরিক অধিকার একই। রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল জুলাই জাতীয় সনদেও দেশের জনগণের জাতীয় পরিচয় হিসেবে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার মতে, এই ঐক্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
তবে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, উপজাতি ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী, নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও কোটা ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘আদিবাসী’ বিষয়ক বিভিন্ন উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সালে জাতিসংঘের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকারবিষয়ক ঘোষণার ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ ভোটদানে বিরত ছিল। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ওই ঘোষণা কিংবা আইএলও কনভেনশন ১৬৯ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাঙ্গনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।