বুধবার (৩ জুন) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। সেখানে মারদিয়া মমতাজ লিখেন, ৫০ জন নারী সংসদ সদস্যের মধ্যে ৩৭ জন বরাদ্দ পেলেও বাকি ১৩ জনকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। তার ভাষ্য, দলীয় ভিন্নতার কারণেই এই বিভাজন তৈরি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু বরাদ্দ না পাওয়ার নয়, বরং এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় সংকীর্ণ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এমন আচরণ গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সংসদে বিভিন্ন মত ও দলের নারীরা একসঙ্গে কাজ করছেন। মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের পরিবেশ রয়েছে। কিন্তু সেই ভিন্নমতকে কেন্দ্র করে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হলে তা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয় না।
মারদিয়া মমতাজ দাবি করেন, সংসদে এমন নারী সদস্যও রয়েছেন যারা আন্দোলন-সংগ্রামের অংশ ছিলেন, এমনকি একজন শহীদের মাও আছেন। তাদেরও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
সবশেষে সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, রাষ্ট্র যদি নিজেই সংকীর্ণতার চর্চা করে, তাহলে সমাজে সহনশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার আশা কীভাবে করা যায়।