বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের বিপরীতে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যমান কর কাঠামো ও প্রশাসনিক সক্ষমতায় এ লক্ষ্য অর্জন চ্যালেঞ্জিং বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের দাবি, বাজেটে ঘোষিত ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি পূরণে সরকারকে দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর আরও নির্ভর করতে হবে। এতে ব্যাংক খাতের ওপর চাপ বাড়বে এবং বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের কথা বলা হলেও ব্যাংকিং খাত সংস্কার, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে বাজেটে স্পষ্ট কোনো রূপরেখা নেই। ফলে আর্থিক খাতে আস্থা সংকট দূর করার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
বিরোধীদলীয় এই নেতা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ঋণের বোঝা বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত অর্থায়নের চাপ ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তার মতে, বাজেটের উপস্থাপনা আকর্ষণীয় হলেও অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত কাঠামোগত পরিবর্তনের দিকনির্দেশনা এতে অনুপস্থিত।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারও জরুরি। কিন্তু সে ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় বাজেট বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।