বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির কথা জানান লিয়াঁজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। এ সময় জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের ছাত্রসংগঠনের কর্মকাণ্ডে শিক্ষা পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় সরকার উপেক্ষা করছে এবং বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত প্রতিফলিত হয়নি।
হামিদুর রহমান আজাদ আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সংবিধান সংস্কারের জন্য একটি পরিষদ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিল। কিন্তু সরকার সংসদে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর নির্ভর করে সংবিধান সংশোধনের পথে এগোচ্ছে, যা জনমতের পরিপন্থী। তার অভিযোগ, গণভোটের ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, ফলে রাজপথে আন্দোলন জোরদার করা ছাড়া বিকল্প নেই।
জোটের নেতারা আরও জানান, প্রশাসনে দলীয় প্রভাব বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন না দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদে জনমত সংগঠিত করা হবে। এ লক্ষ্যে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও গণমিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৬ মে রাজশাহী বিভাগে কর্মসূচি দিয়ে শুরু হবে এই ধারাবাহিকতা। এরপর ১১ জুলাই রংপুর, ১৩ জুলাই চট্টগ্রাম, ১৮ জুলাই বরিশাল, ২৫ জুলাই আবার রংপুর এবং ২৭ জুলাই ময়মনসিংহ বিভাগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপনী টানবে ১১ দলীয় জোট।