এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তামাকজাত পণ্যে থাকা নিকোটিন মারাত্মক আসক্তি তৈরি করে। সিগারেট, বিড়ি, ই-সিগারেট, জর্দা ও গুলসহ বিভিন্ন তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যানসার ও ফুসফুসের রোগের অন্যতম কারণ।
তিনি জানান, তামাক নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও প্রমোশন সব ধরনের গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অ্যাপস ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সিএসআরের আড়ালেও তামাক কোম্পানির প্রচার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, খেলার মাঠ ও শিশু পার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের কাছে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া গণপরিবহন ও পাবলিক প্লেসে ধূমপান এবং ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবনেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো এখন অত্যন্ত জরুরি। সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুস্থ ও তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগে ঘটে, যার বড় একটি কারণ তামাকের ব্যবহার। এছাড়া টোব্যাকো এটলাস ২০২৫-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৯৯ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায়।