আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪–৫ জনকে আসামি করে অভিযোগ করা হয়। এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর নাসিমকে প্রথমে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এবং পরে হাসপাতালে মারধর করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন—ফলিত গণিত বিভাগের রাজিব (২৩), ব্যবসা প্রশাসনের তামিম ইকবাল (২৪), সমাজ বিজ্ঞান ও সমাজকর্ম বিভাগের আবির (২৩) ও সোহাগ (২৩)। তারা আশুলিয়ার নলাম মির্জানগর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী নাসিম গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় থাকেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী সাম্প্রতিক গণধর্ষণের শিকার হন। সেই ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করলে অভিযুক্তরা নাসিমকে হুমকি দিতে থাকে। ৭ ডিসেম্বর সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে তাকে ঘিরে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। পরে আহত নাসিমকে গণ স্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও আরেকদফা মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি পরে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
এদিকে হামলার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, ‘সন্ত্রাসী’ মন্তব্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রাজিব হোসেন নাসিমকে মারধর শুরু করেন এবং অন্যরাও তাতে যোগ দেন।
নাসিম বলেন, “ধর্ষণ ঘটনার পর প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এজন্য শিক্ষকদের পদত্যাগ দাবি করে আমরা আন্দোলন করছিলাম। সেই আন্দোলনস্থলেই আমাকে হামলা করা হয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।