প্রচারণায় তাকে ‘অকুতোভয় জননেতা’ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, যিনি হত্যা, জেল-জুলুম, লুণ্ঠন এবং ‘মব জাস্টিস’-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। সমর্থকদের বক্তব্য, তিনি কারাগারের অন্ধকার থেকেও আইনি অঙ্গনের মর্যাদা রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এগিয়ে যাচ্ছেন।
ব্যারিস্টার সুমনের নির্বাচনী প্যানেল তার সংগ্রামকে ‘আপোষহীন লড়াই’ আখ্যা দিয়েছে এবং আইনজীবী ভোটারদের ব্যালটের মাধ্যমে অন্যায়ের জবাব দিতে আহ্বান জানাচ্ছে। প্রচারণায় আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যবাহী ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও ব্যবহার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গত ২১ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহতের ঘটনাসহ একাধিক মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় এই আইনজীবী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
কারান্তরীণ অবস্থায় এমন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার কারণে ব্যারিস্টার সুমনের বিষয়টি আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন সব চোখ ১১ ও ১২ মার্চের নির্বাচনের দিকে, যেখানে সাধারণ আইনজীবীরা তাদের ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত জানাবেন।