রোববার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সরকার এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
মাহফুজ আলম আরও জানান, যেসব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকদের নিয়মিত বেতন ও মজুরি প্রদান করে না, তাদের এক্রিডিটেশন বাতিলসহ সরকারি সব সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “এন্ট্রি লেভেল সাংবাদিকদের জন্য একটি ন্যূনতম বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হচ্ছে। ১২ বা ১৫ হাজার টাকা বেতন সাংবাদিকদের জন্য যথোপযুক্ত নয়।”
তিনি জানান, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জবাবদিহিতা ও নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি আগামী সপ্তাহেই চূড়ান্ত হবে। এছাড়া আসন্ন নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনাও চলছে।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, “তথ্য মন্ত্রণালয় একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে, যা সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকবে। এই কমিশন পত্রিকার সার্কুলেশন, টেলিভিশন সম্প্রচার তদারক ও গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করবে।”
তিনি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা আজ সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বিষয়। সঠিক সংবাদ পরিবেশনই গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে।”