রোববার (২৪ মে) রাতে শ্যামনগর থানায় মামলাটি করেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন।
মামলায় নজরুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রহমান, স্থানীয় বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকেও আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের আগস্ট থেকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল এবং কাজ বন্ধ রাখার চাপ দেওয়া হচ্ছিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) অর্থায়নে পরিচালিত খোলপেটুয়া, মালঞ্চ ও কালিন্দী নদীর তীররক্ষা এবং বাঁধ সংস্কার প্রকল্পে গত ১৯ মে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া গত ২৩ মে প্রকল্প এলাকায় হামলার ঘটনায় প্রকৌশলী জাহিদ হাসান ও কর্মী ফেরদৌস আহত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় প্রকৌশলীর কাছ থেকে একটি স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পুরো ঘটনার ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মামলার বাদী।
হামলার পর থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, বর্ষার আগে বাঁধের কাজ শেষ না হলে উপকূলীয় এলাকা নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
তবে হাজী মো. নজরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।