বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ধারায় বাউল, ফকির, সুফি ও তাসাওফপন্থী গোষ্ঠীর অবদান সুপ্রাচীন। এই বৈচিত্র্য রক্ষা করা মানেই দেশের মানবিক রাষ্ট্রভাবনা ও সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ধরে রাখা। বিভিন্ন মত, ব্যাখ্যা বা রীতির পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক; তবে এসব প্রশ্নের সমাধান কখনো সংঘাত বা প্রতিশোধের পথে হতে পারে না।
এনসিপি আরও জানায়, এদেশের আলেম সমাজ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণ দাওয়াত, প্রজ্ঞা ও সংযমের মাধ্যমে দ্বীনের শিক্ষা প্রচার করে আসছেন—এটাই দেশের প্রকৃত ঐতিহ্য। তাই কোনো গোষ্ঠীর ওপর হামলা, আতঙ্ক সৃষ্টি বা আইনহীন আচরণ ইসলামের মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনার সময়ে দায়িত্বশীল আলেমরাই মানুষকে শান্তি, সহনশীলতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার পথে পরিচালিত করে থাকেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংলাপ, যুক্তি ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে মতের বিভেদ সমাধান করাই ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব, এবং আজ তা আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
এ সময়ে ঘটনাটি তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং এলাকায় সম্প্রীতি পুনঃস্থাপনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায় এনসিপি।