তিনি বলেন, এ উদ্যোগ শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, যার ফলে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীরা অনলাইনে শহরের অভিজ্ঞ শিক্ষকদের ক্লাসে অংশ নিতে পারবে এবং সারাদেশে শিক্ষার মানে সমতা আসবে। স্যাটেলাইটভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উচ্চশিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করবে।
এ জন্য উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে হোস্টেল নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। শিক্ষার পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নেও সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলে একটি প্রকৌশল কলেজ, একটি নার্সিং কলেজ, হোস্টেল, অনাথালয় ও ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে তিন বছর মেয়াদী বাঁশ চাষ কর্মসূচি, পশুপালন ও মৎস্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। বাঁশ উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি করে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিতের পাশাপাশি পানিসংকট মোকাবিলায়ও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এছাড়া কাজুবাদাম, কফি ও ভুট্টার চাষ সম্প্রসারণ করে স্থানীয় কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ সারাদেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সকল সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষা, অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতা নিশ্চিতকরণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নেওয়া। তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি জনগণকে দেশের মূলধারার উন্নয়নে সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে কেউ পিছিয়ে না থাকে।
কাপ্তাই হ্রদের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে মাছ আহরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সরকার পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় একটি সমৃদ্ধ, ঐক্যবদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।