২৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ১১তম মানবাধিকার সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশের মূল কাঠামোগুলোর অকার্যকারিতা ও দুর্নীতি দূর না করা গেলে যত আইনই করা হোক, যত কমিশনই গঠন করা হোক, বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশে ভালো আইনের কোনো ঘাটতি নেই, সমস্যা হলো সেগুলোর বাস্তবায়নে। শুধুমাত্র আইন পরিবর্তন বা নতুন আইন প্রণয়ন করে রাষ্ট্রের সমস্যার সমাধান হবে না। তার জন্য চাই শক্তিশালী, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। তিনি অভিযোগ করেন যে, এই দিকেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু রাজনীতিতে নয়, সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রেও নেতৃত্বের উত্তরাধিকার তৈরি হচ্ছে না। রাজনীতিকদের যেমন পদ ছাড়ার অনীহা রয়েছে, তেমনি গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন কিংবা গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও নেতৃত্ব বিকাশের পরিকল্পনা নেই। সমাজজুড়ে নেতৃত্ব সংকট ও জবাবদিহিতার অভাব বিদ্যমান।
আসিফ নজরুল মনে করেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু আইন যথেষ্ট নয়। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে, আত্মশুদ্ধির চর্চা করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে মানবাধিকার ভিত্তিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করি, সমাজ নতুন করে গড়ি প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনের আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (HRSS)।