তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় মাসে সরকারের পক্ষ থেকে মোট ১,০২৩টি কনটেন্ট আইটেম সরানোর জন্য গুগলের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও অনুরোধের সংখ্যা বেশি, গুগলের কার্যকর পদক্ষেপ সীমিত ছিল। তুলনামূলকভাবে, ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসে, যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল, অনুরোধের সংখ্যা ছিল ৩৩৭ এবং আইটেমের সংখ্যা ৪,৪৭০। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে সমালোচনামূলক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের ধারা ও আগ্রহের প্রতিফলন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাঠানো অনুরোধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, ১৮১টি, সরাসরি সরকারের সমালোচনামূলক কনটেন্ট সম্পর্কিত। এছাড়া ৩৮টি অনুরোধ ছিল নিয়ন্ত্রিত পণ্য ও সেবা সংক্রান্ত এবং ৩২টি অনুরোধ মানহানির অভিযোগে। সমালোচনামূলক কনটেন্টের সব অনুরোধই ইউটিউব ভিডিওকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। বিশেষভাবে, অনুরোধগুলোর বড় অংশ এসেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে।
গুগল জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে অনুরোধ করা আইটেমগুলোর ৬৫% বেশি ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। এর বাইরে ১৬.১% অনুরোধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, ৯% কনটেন্ট আগেই সরানো হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়ায় ২.৫% কনটেন্ট সরানো হয়েছে, নীতিমালা অনুযায়ী ৩.৭% সরানো হয়েছে এবং ৩.৫% কনটেন্ট পাওয়া যায়নি।
ডিজিটালি রাইটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ আহমেদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, “নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, যদি কোন কনটেন্ট ব্লক করা হয়, সরকারকে তার তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। এটি জনগণকে সচেতন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখন পর্যন্ত সরকারি পক্ষ থেকে এমন কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।”