মানবাধিকার দিবসে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, আজ দেশের সবচেয়ে প্রয়োজন একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত থাকবে এবং ভিন্ন মতকে শত্রু নয়, গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখা হবে। গত ১৬ বছর দেশের বিরোধী সমর্থকরা ভয়, মিথ্যা মামলা, নির্যাতন ও গুমের বাস্তবতা মোকাবিলা করেছে, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ছিল বিএনপি। তবে এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছাত্র, সাংবাদিক, লেখকসহ সাধারণ মানুষও।
তিনি জানান, ২০১৫ সাল থেকে তার নিজেরও কথা বলার অধিকার দমন করা হয়েছিল; তবুও গণতন্ত্র ও অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছেন। খালেদা জিয়াকে এই অন্ধকার সময়ে ধৈর্য ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা ও কারাবাসও তাকে আদর্শচ্যুত করতে পারেনি।
তারেক রহমানের মতে, কষ্ট মানুষকে তিক্ত না করে মহানও করে তোলে—এটাই খালেদা জিয়া প্রমাণ করেছেন। তাই বিএনপি ঘৃণার রাজনীতি নয়, ন্যায়, নৈতিকতা ও ক্ষমাশীলতার ভিত্তিতে একটি মানবাধিকারসম্মত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।