আবু ত্বহা তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “উস্তাদ আবু ত্বহা মুহাম্মাদ আদনান ও তার প্রাক্তন স্ত্রী সাবিকুন নাহারের পারিবারিক বিষয়গুলো দেশের বরেণ্য ওলামায়ে কেরামদের পরামর্শ ও শরিয়াহ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।”
তিনি জানান, মুরুব্বি আলেমদের উপস্থিতিতে তিনি খুলা তালাকের প্রস্তাব দেন, যা সাবিকুন নাহার গ্রহণ করেন। ফলে তাদের মধ্যে আর কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক অবশিষ্ট নেই। এছাড়া, বিয়ের সম্পূর্ণ মোহরানা পূর্বেই পরিশোধিত, এবং এ নিয়ে কোনো দেনা-পাওনা বাকি নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তৌহা আরও জানান, সাবিকুন নাহার পূর্বে Taw Haa Zin Nurain Islamic Center-এর উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় আট ভরি স্বর্ণ ও কিছু নগদ অর্থ ধার হিসেবে দিয়েছিলেন। ওলামায়ে মাজলিস বিষয়টি যাচাই করে অর্থ ফেরতের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন, যা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “৮ ভরি স্বর্ণের বিনিময়ে তালাক” সংক্রান্ত গুজব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
সন্তানদের দায়িত্ব সম্পর্কেও মাজলিস শরিয়াহসম্মতভাবে ফয়সালা দিয়েছে, যা উভয় পক্ষই সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করেছেন। তৌহা অনুরোধ করে বলেন, “এ বিষয়টি পারিবারিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা বা সমালোচনা না করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
অন্যদিকে, সাবিকুন নাহারও তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমার পারিবারিক ইস্যুটি ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে সুন্দরভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেন, “দীর্ঘ এক কঠিন সময় ও মানসিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ সমাধানে পৌঁছাতে হয়েছে।”
তিনি প্রকাশ্যে তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, “আমার দ্বারা অনিচ্ছাকৃত যেসব ভুল হয়েছে, আমি সেগুলোর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছি। ভবিষ্যতে আমি আর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না এবং সবাইকেও এ ইস্যুতে আলোচনা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি।”
শেষে সাবিকুন নাহার সব মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিজের অডিও–ভিডিও ক্লিপ মুছে ফেলার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, “পরকালের স্বার্থেই আমি সবাইকে অনুরোধ করছি আমার ব্যক্তিগত ভিডিও ও অডিও মুছে ফেলতে।”
তিনি ধন্যবাদ জানান যারা এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন এবং বলেন, “যারা আমাকে ভালোবেসেছেন আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন, আর যারা সমালোচনা করেছেন, মালিক যেন তাদের ক্ষমা করেন।”