ফ্লোরিডায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সুবিধা পাচ্ছে। কিছুটা রসিকতার সুরে তিনি বলেন, বিষয়টি অনেকটা জলদস্যুতার মতো মনে হলেও তারা কৌশলগতভাবেই এগোচ্ছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে হরমুজ প্রণালিকে চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। অতীতে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করার হুমকিও দিয়েছিল। সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানান তিনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান পারমাণবিক আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আদৌ কোনো চুক্তি করা দরকার কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘদিন একইভাবে চলতে পারে না।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও আলোচনায় তেমন অগ্রগতি হয়নি। এ অবস্থায় হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র, পাশাপাশি ইরানি জাহাজের ওপর নজরদারি ও অবরোধ আরও জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি