মঙ্গলবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ইসলামাবাদ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তবে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষের পথে থাকায় তেহরানের সিদ্ধান্তকে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, সামাজিক মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন—স্থায়ী কোনো সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। একই সঙ্গে ইরানি জাহাজ লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলেও সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত এবং বিরতির সময়টিকে তারা সামরিক সরঞ্জাম জোগাড়ে কাজে লাগিয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।
এই প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা প্রশমনে সংলাপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। তার মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আলোচনার বিকল্প নেই। তবে ইরানের নীরবতা পুরো প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
এদিকে, ইসলামাবাদে নিযুক্ত মার্কিন কূটনীতিক নাতালি বেকারের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন ইসহাক দার। সেখানে তিনি যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়িয়ে আলোচনার পথ খোলা রাখার আহ্বান জানান। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরও জানায়, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করতে কূটনীতি ও সংলাপকেই সবচেয়ে কার্যকর পথ হিসেবে দেখা হচ্ছে।