ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেবে না এবং তেহরানও এ ধরনের অস্ত্র না রাখার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। তিনি এটিকে চলমান আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকারে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, সেনা সক্ষমতাও আগের তুলনায় কমেছে। একই সঙ্গে দেশটির অর্থনীতি সংকটে রয়েছে এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ও সম্ভাব্য অবরোধ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে তিনি মনে করেন না। তার ধারণা, বিষয়টির সমাধান দ্রুতই হতে পারে। একই সঙ্গে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে এগিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের নতুন নেতৃত্ব প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, মুজতবা খামেনি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব রাখছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। তিনি এটিকে ইরানের দীর্ঘদিনের ক্ষমতার ধারাবাহিকতার অংশ বলেও উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া, ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ পরিস্থিতি ইতিবাচক রয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।