মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও চীনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, চীন যদি যুক্তরাষ্ট্রকে পর্যাপ্ত রেয়ার আর্থ চুম্বক সরবরাহ না করে, তবে তাদের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “চীনকে আমাদের চুম্বক দিতেই হবে। যদি তারা না দেয়, তবে তাদের পণ্যের ওপর ২০০ শতাংশ কিংবা তারও বেশি শুল্ক বসানো হবে।”
এসময় তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এমন কিছু “অবিশ্বাস্য কার্ড” আছে, যা প্রয়োগ করা হলে চীনকে ভয়াবহ সংকটে ফেলতে পারে। ট্রাম্পের ভাষায়, “যদি আমি আসল কার্ডগুলো খেলতে চাই, তবে সেটা চীনের জন্য ধ্বংসাত্মক হয়ে দাঁড়াবে।”
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত ট্রাম্পের এক ধরনের রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল। এখনো এ ধরনের শুল্ক আইনগতভাবে কার্যকর হয়নি। বরং বিষয়টি চীনের সঙ্গে নতুন করে বাণিজ্যচাপ তৈরি করার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ‘লিবারেশন ডে ট্যারিফ’ নামে জরুরি শুল্ক আরোপের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের আদালত সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করে। তাই এবারকার নতুন ঘোষণা নিয়েও দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্ববাজারে রেয়ার আর্থ উপাদান ও চুম্বকের ওপর চীনের ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও শিল্প উৎপাদনের জন্য এসব চুম্বকের গুরুত্ব অপরিসীম। ফলে ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি বাস্তবায়ন হলে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।