বুধবার (২৪ জুন) আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, এই সমঝোতা কোনো চাপের মুখে হয়নি, বরং ইরানি জনগণের দৃঢ় অবস্থান ও প্রতিরোধের ফল।
গালিবাফের দাবি, সাম্প্রতিক সমঝোতা দেখিয়ে দিয়েছে যে চাপ প্রয়োগ করে ইরানের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো নির্ধারণের দায়িত্ব এ অঞ্চলের দেশগুলোরই। একই সঙ্গে তিনি বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
গত সপ্তাহে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত বন্ধের ঘোষণা আসে। পাশাপাশি চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে ৬০ দিনের আলোচনা প্রক্রিয়াও শুরু হয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের দেশে ফিরে কাজ করার সুযোগ দিতে রাজি হয়েছে। তবে ইরান এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আইএইএর সঙ্গে এ ধরনের কোনো বৈঠক বা ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের পরিকল্পনা নেই।
এদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা আগামী সপ্তাহে আবার শুরু হতে পারে।