গতকাল বুধবার (৩ জুন) মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শুনানিতে এ ঘোষণা দেন তিনি। শুনানিতে আইনপ্রণেতারা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান জানতে চান।
তাদের প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হয়েছিল এবং এখন আর দেশটির ভেতরে ধারাবাহিক হামলা পরিচালনা করা হচ্ছে না। তার ভাষ্য, ভবিষ্যতে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা আক্রমণাত্মক অভিযান হিসেবে নয়, বরং আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
তিনি দাবি করেন, অভিযানের মাধ্যমে ইরানের প্রতিরক্ষা-শিল্প স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা এবং ড্রোন মজুতে বড় ধরনের ক্ষতি করা হয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও অস্থির রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা ও অঞ্চলে মার্কিন সেনা উপস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের এই ঘোষণা আঞ্চলিক রাজনীতি, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: এএফপি