বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাস্টমস হাউস, ঢাকার ইনচার্জ জয়েন্ট কমিশনার নাজমুন নাহার কায়সার। আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) তার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলো কাপড়ের ভেতরে কালো স্কচটেপ দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় পরিত্যক্তভাবে পাওয়া যায়। বাজারমূল্য অনুযায়ী স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা।
অভিযানটি পরিচালনা করেন কাস্টমস হাউস, ঢাকা’র সহকারী কমিশনার এস এম সরাফত হোসেনের নেতৃত্বাধীন একটি চৌকস দল। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জয়েন্ট কমিশনার নাজমুন নাহার কায়সার এবং কাস্টমস হাউসের কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন।
এ বিষয়ে কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন বলেন, "বাংলাদেশ কাস্টমস দেশীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষা দিতে, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার এবং স্বর্ণসহ চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বদা সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
ঘটনার প্রেক্ষিতে কাস্টমস আইন, ২০২৩ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আলোকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হবে—তারা যেন তদন্ত করে দেখে কারা বা কীভাবে বিমানটির কার্গো হোল্ডে এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বহন করলো।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণ যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।