গত বুধবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিনে অনুষ্ঠিত হয় এমএলএস অল-স্টার ম্যাচ। মেসি ও আলবা উভয়েই এই ম্যাচে খেলার জন্য মনোনীত হলেও, ক্লান্তি ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তারা ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি। তবে এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, অল-স্টার ম্যাচে মনোনীত খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হলে লিগের পূর্বানুমতি নিতে হয়। এই অনুমতি না নেওয়ার কারণেই তাদেরকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ফলে আজ (২৬ জুলাই) ইন্টার মায়ামির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এফসি সিনসিনাটির বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবেন না মেসি ও আলবা। এই ম্যাচটি ইন্টার মায়ামির জন্য প্লে-অফের দৌড়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বর্তমানে পূর্বাঞ্চলীয় কনফারেন্সের শীর্ষে রয়েছে সিনসিনাটি।
ইন্টার মায়ামির সহ-সভাপতি হোর্হে মাস এই শাস্তিকে ‘ড্র্যাকোনিয়ান (অত্যন্ত কঠোর ও অযৌক্তিক)’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “মেসি ও আলবার সিদ্ধান্ত ছিল খেলোয়াড়দের শারীরিক সুস্থতা রক্ষার জন্য। লিগের এই সিদ্ধান্তে শুধু ক্লাব নয়, ভক্ত, স্পন্সর, সম্প্রচার মাধ্যমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
এমএলএস কমিশনার ডন গারবার বলেন, “মেসির গুরুত্ব আমরা বুঝি, তবে লিগের নিয়ম সবার জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। তবুও আমরা বুঝতে পারছি, সময়ের দাবি অনুযায়ী এই নীতিমালা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।
ইন্টার মায়ামির কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো অল-স্টার ম্যাচের সময়সূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “আমরা ৩৬ দিনে ৯টি ম্যাচ খেলেছি। খেলোয়াড়দের বিশ্রামের সুযোগ না দিয়ে সপ্তাহের মাঝখানে অল-স্টার ম্যাচ আয়োজন করা উন্মাদনা ছাড়া আর কিছু নয়।”
এই মৌসুমে লিওনেল মেসি এমএলএস-এ ১৮টি গোল করেছেন, অপরদিকে জর্দি আলবা দিয়েছেন ৮টি অ্যাসিস্ট। তাদের অনুপস্থিতি ইন্টার মায়ামির আক্রমণভাগে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে।
এ ঘটনার পর, অল-স্টার ম্যাচের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত নিয়ম নীতিমালা নিয়ে নতুন করে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।
তথ্যসূত্রঃ রয়টার্স | AS.com | New York Post