ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্লুমিনেন্স আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে। ফলাফল আসে ৪০তম মিনিটে, যখন দলটির মিডফিল্ডার মাটেউস মার্টিনেল্লি দুর্দান্ত এক গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে ফ্লুমিনেন্স।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আল হিলাল। ৫১তম মিনিটে মার্কোস লিওনার্দো গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান (১-১)। এই গোলে কিছুটা চাপে পড়ে ফ্লুমিনেন্স, কিন্তু দ্রুতই নিজেদের ছন্দ খুঁজে নেয় তারা। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে হারকিউলেস গোল করে দলকে আবার এগিয়ে দেন, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জয়ের জন্য যথেষ্ট প্রমাণিত হয়।
পুরো ম্যাচে বল দখল, আক্রমণ এবং গতি—সব কিছুতেই ফ্লুমিনেন্স এগিয়ে ছিল। যদিও আল হিলাল কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল, কিন্তু ফিনিশিংয়ের ঘাটতি ও ফ্লুমিনেন্সের গোলে দৃঢ়তা তাদের জয় বঞ্চিত করে।
বিশ্ব ক্লাব কাপের উত্তেজনায় জমজমাট ম্যাচ, আল হিলালের স্বপ্নভঙ্গ করল ব্রাজিলিয়ান দলটি
এই জয়ের মাধ্যমে ফ্লুমিনেন্স টুর্নামেন্টের শেষ চারে পৌঁছে গেল, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে পরবর্তী কোয়ার্টার ফাইনালের ফলাফলের ভিত্তিতে। অপরদিকে, আল হিলালের জন্য এটি ছিল হতাশাজনক বিদায়।
বিশ্ব ফুটবলের এই জমজমাট টুর্নামেন্টে ফ্লুমিনেন্স এখন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের প্রতিনিধিত্ব করছে গর্বের সঙ্গে, আর প্রতিপক্ষদের জন্য তারা হয়ে উঠছে বড় চ্যালেঞ্জ।