বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতারা।
তাদের বক্তব্য, হাদির হত্যাকারীরা কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে যেতে সক্ষম হলো, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা দরকার। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে ভারত আওয়ামী লীগের মাধ্যমে দেশে নিজেদের প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করছিল। তাদের দাবি, শরিফ ওসমান হাদি সেই প্রভাববাদের বিরুদ্ধে সরব থাকায় তিনি অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিলেন।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা আরও বলেন, শুধু সরাসরি হত্যাকারীরাই নয়, যারা খুনিদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে, তারাও সমানভাবে দায় এড়াতে পারে না। তাদের অভিযোগ, এ ঘটনার সঙ্গে দেশের প্রভাবশালী কোনো মহলের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। সত্য প্রকাশ হলে তা নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
সংগঠনটির মুখপাত্র বলেন, শরিফ ওসমান হাদিকে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থানের কারণে হত্যা করা হয়েছে—বিষয়টি এত সরল নয়। এর পেছনে আরও বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত কারণ থাকতে পারে।